Skip to main content

Featured post

শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: একটি বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪)

শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: এক বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪) শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: এক বিশ্লেষণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১৬ বছরের উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও সামাজিক রূপান্তরের কৌশলগত বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪) সূচিপত্র (Table of Contents) কার্যনির্বাহী সারাংশ: রূপান্তরের পথরেখা (২০০৯-২০২৪) সংযোগ ও নগর গতিশীলতা (Connectivity and Urban Mobility) স্ব-অর্থায়ন এবং আঞ্চলিক প্রভাব: পদ্মা সেতু ও যমুনা রেল সেতু মহানগরীর আধুনিকীকরণ: মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে ও অন্যান্য প্রকল্প চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোর: সুড়ঙ্গ ও বন্দর সুবিধা জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্পায়ন চালক (Energy Security and ...

হাইকোর্ট রায়: দণ্ডিত ব্যক্তিরা আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না (High Court Rule: Convicts cannot participate in elections while under appeal)

আপিল বিচারাধীন থাকায় দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: হাইকোর্ট

আপিল বিচারাধীন থাকায় দণ্ডিত ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না: হাইকোর্ট

বাংলাদেশের হাইকোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন যে দণ্ডিত ব্যক্তিরা আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ পাঠে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে কোনো মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়ার অর্থ তার সাজাও স্থগিত নয়। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেছেন যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আদালতে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির দায়ের করা আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সেই ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পাঁচটি ফৌজদারি আপিল আবেদনের শুনানি শেষে এ রায় দেন।

হাইকোর্ট বেঞ্চ বলেছে, "বিচারক বিচারক রেকর্ডে থাকা সাক্ষ্য-প্রমাণ মূল্যায়নের পর আপিলকারী-পিটিশনকারীদের দোষী সাব্যস্ত করেছেন। তারা এই আদালতে বিচারাধীন আপিল পছন্দ করেছেন। তাই, আপিল বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও, তাদের অবস্থা হল তারা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি।"

এই রায়ের ফলে, দণ্ডিত ব্যক্তিরা আর সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যদি না তাদের আপিল আদালত দ্বারা খারিজ করা হয়। এই রায়টি বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং এটি দণ্ডিত ব্যক্তিদের সংসদে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেবে।

এই রায়ের কয়েকটি সম্ভাব্য প্রভাব রয়েছে:

  • এটি সংসদে দণ্ডিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি হ্রাস করবে।
  • এটি নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করে তুলতে সাহায্য করবে।
  • এটি জনগণের কাছে আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করবে।

এই রায়টি বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এটি দেখায় যে দেশটি আইনের শাসনকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Comments