Skip to main content

Featured post

শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: একটি বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪)

শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: এক বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪) শেখ হাসিনার ১৬ বছরের উন্নয়ন: এক বিশ্লেষণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১৬ বছরের উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও সামাজিক রূপান্তরের কৌশলগত বিশ্লেষণ (২০০৯-২০২৪) সূচিপত্র (Table of Contents) কার্যনির্বাহী সারাংশ: রূপান্তরের পথরেখা (২০০৯-২০২৪) সংযোগ ও নগর গতিশীলতা (Connectivity and Urban Mobility) স্ব-অর্থায়ন এবং আঞ্চলিক প্রভাব: পদ্মা সেতু ও যমুনা রেল সেতু মহানগরীর আধুনিকীকরণ: মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে ও অন্যান্য প্রকল্প চট্টগ্রাম-কক্সবাজার করিডোর: সুড়ঙ্গ ও বন্দর সুবিধা জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্পায়ন চালক (Energy Security and ...

মনোহরদী উপজেলা

মনোহরদী উপজেলা

নরসিংদী জেলার একটি উপজেলা



মনোহরদী উপজেলা বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।
বস্থান ও আয়তন

ইতিহাস

ওয়ারী বটেশ্বর সভ্যতার পরে অযোদ্ধার রামচন্দ্রের কিছু অনুসারী রায়পুর এলাকায় বসতি স্থাপন করে। তারপর চন্ডীপাড়ায় চন্ডী রাজা বসতি স্থাপন করেন। জনশ্রুতি রয়েছে কৃষ্ণের অনুসারীগণ কৃষ্ণপুরে বসতি স্থাপন করেন। ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থানের আর্যকর্তৃক বিতারিত অনার্যদের আশ্রয় স্থল হয় মনোহরদী। এখানকার সংস্কৃতি গড়ে উঠে রাম, শ্রীকৃষ্ণ ও বৈদিক সংস্কৃতির দ্বারা; এক কথায় বলা চলে ধর্মভিত্তিক। চন্ডী রাজা শাহইরান কর্তৃক পরাজিত হলে এখানে ইসলাম ধর্মের উম্মেষ ঘটে। পরবর্তীতে জৈনপুরের কেরামত আলী ও হাজী শরীয়ত উল্লাহর মাধ্যমে মুসলিম পূর্নজাগরের সংস্কৃতির চালু হয়।
মনোহরদী থানা প্রতিষ্টিত হয় ১৯০৪ সালে। ১৯০৪ সালে মনোহরদীতে পুলিশী থানা প্রতিষ্টিত হওয়ার র্পূবে এ জনপদটি ছিল রায়পুরা থানার অন্তগর্ত।

প্রশাসনিক এলাকা

জনসংখ্যার উপাত্ত

এখানকার মোট জনসংখ্যা ২,৮৪,৫৬৩ জন; যার মধ্যে পুরুষ ১,৩৯,৫৫৬ জন এবং মহিলা ১,৪৫,০০৭ জন।

স্বাস্থ্য

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স১ টি
কমিউনিটি ক্লিনিক৩৩ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র১১ টি
বেডের সংখ্যা৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা৩১ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা৩১ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা১৫টি
সহকারী নার্স সংখ্যা১টি

শিক্ষা

মনোহরদি উপজেলার শিক্ষার হার ৬৯%। এখানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০২টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৯টি, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬টি, জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৬টি, উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা) ২৩টি, উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) ১৪টি, দাখিল মাদ্রাসা ১৩টি, আলিম মাদ্রাসা ৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৮টি, কলেজ(সহপাঠ) ৮টি, কারিগরি কলেজ ৩টি, সরকারি কলেজ ০১টি। এছাড়াও অনেক কওমি মাদরাসা রয়েছে।


কৃষি

এই এলাকার প্রধান কৃষি ফসল হচ্ছে ধান, পাট, কলা, গম, আলু, বাদাম, আপেল কুল, মাছ, শিম, চালকুমড়া, পেঁপে ,টমেটো, বেগুন, শসা, কেলাই, পেয়ারা উল্লেখযোগ্য ফসল উৎপাদন হয় (এছাড়া বর্তমানে পোল্ট্রি খামার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে)।

অর্থনীতি

এ অঞ্চলের প্রধান ফসল ধান, কলা, পাট, ইটের বাটা, প্লাস্টিক শিল্প, কুটির শিল্প, মৎস হেচারী, গবাদী পশুর খামার, ইত্যাদি উপজেলার সবচেয়ে সমৃদ্ধিশালী অর্থনীতি প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে চালাকচর বাজার বিশেষ করে কাপড়ের ব্যবসার ছোট বড় চার থেকে পাচঁশত দোকান রয়েছে ফার্নিচার শিল্প ও উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া পোলট্রি খামার ও মুরগীর বাচ্চা উৎপাদনে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা জাতীয় অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

যোগাযোগ

  • পাকা রাস্তা - ৩১৫.০০ কিলোমিটার;
  • কাচা রাস্তা - ২৫২.০০ কিলোমিটার;
  • ব্রীজ/কালভার্ট - ৬০৪টি;
  • নদ-নদী - ৪টি।

কৃতী ব্যক্তিত্ব

  • লে: জেনারেল নূরউদ্দীন খাঁন - সাবেক মন্ত্রী ও তিন বাহিনীর প্রধান।
  • ছুফি আকবর আলী - ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সুফি-সাধক।

  • জনাব মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ সুজন-পৌর মেয়র,মনোহরদী পৌরসভা। (বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ পৌর মেয়র)
  • মাাও.ফতেহ আলী
  • একলাছ হক, সাংবাদিক দৈনিক ইনকিলাব

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা

  • পার্ক বৈশাখী বেলা, বগাদী।
  • সাগরদীর জমিদার বাড়ি (বাবুর বাড়ী)
  • চালাকচর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
  • হাফিজপুর পাচঁতারা বাইতুল আমান জামে মসজিদ
  • রামপুর, খিদিরপুর।

Comments